“কুরআন কি হিদায়াতের জন্য যথেষ্ট নয়?”
একটি নিরীহ প্রশ্ন—কিন্তু এর ভেতর লুকিয়ে আছে গভীর ষড়যন্ত্র। আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, আবারো সেই দলের পুনরুত্থান ঘটেছে যারা রাসূল ﷺ এর হাদিস অস্বীকার করে এবং দাবি করে যে তারা শুধুমাত্র কুরআন অনুসরণ করে। কিন্তু কেন?
কারণ যখন আপনি সুন্নাহ বাদ দেন, তখন আপনি পুরো শরিয়াহকেই মুছে ফেলেন। সুন্নাহ হলো সেই চাবি যার মাধ্যমে আপনি কুরআনের দরজা খুলেন। এই চাবি ছাড়া আপনি শুধু অনুমানই করতে পারবেন ভিতরে কী আছে—আর কিছুই না। তাহলে চলুন, উপরোক্ত প্রশ্নের উত্তর কুরআনের কাছ থেকেই নেওয়া যাক।
কিন্তু কুরআনে যাওয়ার আগে আমাকে বলুন—
- কুরআনে কি নির্দিষ্ট করে বলা আছে যে এটি মুহাম্মদ নামে কারো ওপর নাজিল হয়েছে?
- এই ব্যক্তি কে ছিলেন? একজন খাঁটি আরব না অভিবাসী কোনো ইহুদি?
- তিনি কি সেই মুহাম্মদ ﷺ যিনি মাদীনায় শায়িত, না কি অন্য কেউ?
- আপনি কীভাবে জানেন?
কুরআন থেকে উত্তর
আল্লাহ কুরআনে বলেন:
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰإِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ
“সে নিজের খেয়াল-খুশিতে কিছুই বলে না।
এটি তো কেবল এক ওহি যা তার কাছে ওহি করা হয়।”
[সূরা আন-নাজম, আয়াত ৩-৪]
আল্লাহ আরও বলেন:
بِالْبَيِّنَاتِ وَالزُّبُرِ وَأَنزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ
“আমরা আপনার প্রতি (হে মুহাম্মদ ﷺ) ‘জিকির’ নাজিল করেছি, যাতে আপনি মানুষের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেন তাদের প্রতি যা নাজিল করা হয়েছে, এবং যেন তারা চিন্তা করে।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত ৪৪]
আল্লাহ আরও বলেন:
لَا تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ إِنَّ عَلَيْنَا جَمْعَهُ وَقُرْآنَهُ فَإِذَا قَرَأْنَاهُ فَاتَّبِعْ قُرْآنَهُ ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُ
“তুমি কুরআন তাড়াতাড়ি পড়ার জন্য তোমার জিহ্বা নাড়িও না। আমাদেরই দায়িত্ব এটিকে সংরক্ষণ করা ও তিলাওয়াত করানো।
অতঃপর যখন আমরা তা পাঠ করি, তখন তুমি তার অনুসরণ করো। তারপর, এটিকে ব্যাখ্যা করাও আমাদের দায়িত্ব।”
[সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত ১৬-১৯]
আল্লাহ এখানে তিনটি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন:
১) আল্লাহ কুরআন সংরক্ষণ করবেন।
২) আল্লাহ নিশ্চিত করবেন এটি যথাযথভাবে তিলাওয়াত হয়।
৩) আল্লাহ এটিকে ব্যাখ্যা করবেন।
আর কুরআনের এই ব্যাখ্যা যদি যার ওপর কুরআন নাজিল হয়েছিল, সেই রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ না হয়, আর কী হতে পারে?
সাহাবিদের বর্ণনা থেকে
কাতাদাহ رضي الله عنه বলেন: “আমি বললাম, ‘হে মু’মিনদের মা, আমাকে আল্লাহর রাসূল ﷺ এর চরিত্র সম্পর্কে বলুন।’ আয়েশা رضي الله عنها বললেন, ‘তুমি কি কুরআন পড় না?’ আমি বললাম, ‘অবশ্যই!’ আয়েশা বললেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল ﷺ এর চরিত্র ছিল কুরআন।’” [সহিহ মুসলিম]
আল্লাহ আমাদেরকে সূরা মুহাম্মদ-এ নির্দেশ দেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلَا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ
“হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর আনুগত্য করো এবং রাসূলের আনুগত্য করো, এবং নিজেদের আমল বরবাদ করে দিও না।” [সূরা মুহাম্মদ, আয়াত ৩৩]
আল্লাহ এখানে বলেননি: “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো”, বরং আলাদা করে জোর দিয়ে বলেছেন: “আতিইউল্লাহ ওয়া আতিইউর-রাসূল”। আয়াতের শেষাংশও স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছে—যারা তাদের কাউকে অস্বীকার করবে, তাদের আমল নষ্ট হয়ে যাবে।
ধরা যাক এই আয়াতটিও কারো কাছে স্পষ্ট না বা দ্ব্যর্থপূর্ণ মনে হয়। তাহলে শুনুন আল্লাহ কী বলেন—
مَّن يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَن تَوَلَّىٰ فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا
“যে রাসূলের আনুগত্য করে, সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করলো। আর যে মুখ ফিরিয়ে নেয়—তোমাকে আমি তাদের ওপর পাহারাদার বানিয়ে পাঠাইনি।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত ৮০]
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
“রাসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ করো; আর তিনি যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাকো এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ কঠিন শাস্তিদাতা।” [সূরা আল-হাশর, আয়াত ৭]
لَقَدْ مَنَّ اللَّهُ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًا مِّنْ أَنفُسِهِمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের প্রতি এক মহা অনুগ্রহ করেছেন, যখন তাদের মধ্য থেকেই একজন রাসূল পাঠিয়েছেন, যিনি তাদের সামনে আল্লাহর আয়াত তিলাওয়াত করেন, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করেন, এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমাহ শিক্ষা দেন—যদিও তারা পূর্বে ছিল স্পষ্ট ভ্রান্তিতে।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৬৪]
রাসূল ﷺ কী করেন?
১) আল্লাহর আয়াত তিলাওয়াত করেন।
২) মানুষকে পরিশুদ্ধ করেন।
৩) তাদেরকে কিতাব শিক্ষা দেন।
৪) তাদেরকে হিকমাহ শিক্ষা দেন।
প্রশ্ন হলো—
রাসূল ﷺ কীভাবে পরিশুদ্ধ করেন এবং শিক্ষা দেন? এই ‘হিকমাহ’ কী? এই নিয়ম-কানুন, বিধি-নিষেধ আপনি কোথায় পাবেন? কারণ কুরআনে যেসব বিধান আছে, তা তো সরাসরি আল্লাহর কথা—রাসূল ﷺ এর নিজের কথা নয়। তাহলে এই বিশদ ব্যাখ্যা কোথায়? চিন্তা করুন!
আমরা কুরআনে আরও বহু আয়াত পাবো যেগুলো রাসূল ﷺ এর সুন্নাহকে প্রমাণ করে ও তার অনুসরণের নির্দেশ দেয়। যারা সত্য খুঁজে ফিরছে, তাদের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট হওয়া উচিত যেন তারা নিজেদের বিশ্বাস যাচাই করে দেখতে বাধ্য হয়।
এক হাদীসে এসেছে: আল-মিকদাম ইবনু মা’দি ইয়াকরিব رضي الله عنه থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
“নিশ্চয়ই আমাকে কুরআন দেওয়া হয়েছে এবং এর সাথে অনুরূপ আরেকটি জিনিস (সুন্নাহ) দেওয়া হয়েছে।
তবে শীঘ্রই এমন সময় আসবে যখন একজন ব্যক্তি তার পূর্ণ উদরে হেলান দিয়ে বসে বলবে: ‘এই কুরআনই যথেষ্ট; এতে যা হালাল পেয়েছি তা হালাল বলবো, আর যা হারাম পেয়েছি তা হারাম বলবো।’
জেনে রাখুন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যা হারাম করেছেন, তা আল্লাহ হারাম করেছেন।” [তিরমিজি]
ইসলামের মৌলিক বিষয়:
আমরা জানি, ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ হলো—শাহাদাহ, সালাত, যাকাত, রোজা এবং হজ।
কখন নামাজ পড়তে হবে? কিভাবে পড়তে হবে? কোন দু‘আ পড়তে হবে? এসব তথ্য কোথা থেকে পাই? কুরআনে হজের নির্দিষ্ট স্থান, নিয়ম বা সময় সম্পর্কে কী বলা আছে? তাহলে কি ভ্যাটিকানে গিয়ে হজ করা যাবে? এসব প্রশ্ন থেকেই উত্তর স্পষ্ট হয়ে যায়।
এমনকি তারা যারা কুরআনের এই আয়াত তুলে ধরেন:
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا
“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, এবং তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম, এবং তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত ৩]
এই আয়াত সুন্নাহ অস্বীকারের প্রমাণ নয়, বরং প্রমাণ করে যে দ্বীন পরিপূর্ণ হয়েছে—রাসূল ﷺ এর ব্যাখ্যা ও সুন্নাহ সহকারে। তারা বলে, “হাদিসের দরকার নেই, কারণ আল্লাহ দ্বীনকে পরিপূর্ণ করেছেন।”
কিন্তু প্রশ্ন হলো—আল্লাহ কবে দ্বীন পরিপূর্ণ করেছেন? উত্তর: ৯ হিজরির ৯ই জিলহজ, আরাফার দিন।
তাহলে আপনি কীভাবে জানলেন যে এই আয়াত (সূরা আল-মায়েদা, আয়াত ৩) ঠিক এই দিন নাজিল হয়েছিল? এই তথ্য তো আপনি হাদিস থেকেই জানেন! কিন্তু যখন এই হাদিস আপনাদের খণ্ডন করে, তখন হাদিস অস্বীকার করেন। এটা স্ববিরোধিতা নয় কি?
আল্লাহ কোথাও বলেননি যে দ্বীন কেবলমাত্র কুরআন দিয়েই পরিপূর্ণ হয়েছে। বরং কুরআনে রাসূল ﷺ-এর আনুগত্য করার নির্দেশ এত বেশি এসেছে যে তা অস্বীকার করা মানে কুরআনকেই অস্বীকার করা।
হাদিস প্রসঙ্গে:
ইমাম আহমাদ رحمه الله তাঁর মুসনাদ-এ এমন একটি হাদিস লিপিবদ্ধ করেন, যেখানে রাসূল ﷺ নিজের কথা লেখার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। কিন্তু একই ইমাম প্রায় ৪০,০০০ হাদিস সংকলন করেন! এটা পরস্পর বিরোধি মনে হচ্ছে? না, বরং বাস্তবতা স্পষ্ট।
রাসূল ﷺ যখন বলেছিলেন, যেন তাঁর কথা লেখা না হয়, সেটা ছিল কুরআনের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য মাদানি জীবনের প্রথম দিকে। তিনি চাচ্ছিলেন, যেন কুরআনের আয়াতগুলো হৃদয়ে গেঁথে যায়, এরপর পর্যায়ক্রমে তিনি হাদিস লিখার অনুমতি দেন। দুটি হাদিস আছে যেখানে এই নিষেধের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু উভয়টি দুর্বল (ضعيف)।
যারা বলে, “হাদিস তো দুইশো বছর পরে লেখা হয়েছে”— তাদের এই কথা মুর্খতার শামিল।
তাহলে কীভাবে আবু বকর, আলী ইবন আবি তালিব, আবু হুরাইরা, আবদুল্লাহ ইবন আমর, আনাস ইবন মালিক رضي الله عنهم প্রমুখ সাহাবী নিজের হাতে রাসূল ﷺ-এর হাদিস লিখে রাখলেন?
শায়খ মুস্তাফা আল-আজমী رحمه الله তাঁর কেমব্রিজ পিএইচডি গবেষণায় প্রমাণ করেন—
রাসূল ﷺ-এর জীবদ্দশাতেই ৫২ জন সাহাবী হাদিস লিখতেন। রাসূল ﷺ নিজেও হাদিস লিখিয়ে দিয়েছেন। যেমন, মু’আয ইবন জাবাল رضي الله عنه-কে ইয়েমেনে পাঠানোর সময় যাকাত সংক্রান্ত একটি লিখিত নীতিমালা দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। রাসূল ﷺ-এর চিঠিপত্র ও লিখিত বার্তাগুলো আজও প্রসিদ্ধ।
সংরক্ষণ ও সনদ:
হোক সেটা লিখিত বা মৌখিক, কুরআন ও সুন্নাহ উভয়ই সনদসহ সংরক্ষিত। কুরআনের ক্বিরাআতগুলো (যেমন: হাফস, ওয়ারশ)—প্রত্যেকটির নিজস্ব সনদ আছে যা রাসূল ﷺ পর্যন্ত পৌঁছে। তেমনি সুন্নাহরও রয়েছে সনদ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পর্যালোচনা। আমাদের শিক্ষক শায়খ ইব্রাহীম নুহ حفظه الله মদীনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগেই পুরো কুরআন এবং ৩০০ হাদিস সনদসহ মুখস্থ করেছিলেন। তাহলে সেই যুগের ইমাম ও মুহাদ্দিসদের কী অবস্থা ছিল?
হাদিসের বিশ্লেষণবিদ্যা (উলূমুল হাদিস)
এই বিশাল জ্ঞানের শাখা যারা অস্বীকার করে, তারা আগে কুরআনের স্পষ্ট নির্দেশগুলোকে মেনে নিক, তারপর হাদিস নিয়ে কথা বলুক। অবাক বিষয় হলো, হাদিস অস্বীকারকারীরা নিজেদের দাবির পক্ষে হাদিসই ব্যবহার করে। এটা এক চরম স্ববিরোধিতা!
মুতাওয়াতির হাদিস (متواتر):
মুতাওয়াতির হাদিস হলো এমন এক ধরণের বর্ণনা যা এত সংখ্যক বর্ণনাকারী দ্বারা প্রতিটি স্তরে বর্ণিত হয়েছে যে—তাদের সবাই মিলে মিথ্যা বলা অসম্ভব। এটি হাদিসশাস্ত্রে সবচেয়ে বিশুদ্ধ প্রামাণিক স্তর।
প্রশ্ন: যদি মানুষ হাদিস বর্ণনা করেছে বলে আপনি তা অস্বীকার করেন, তাহলে কুরআন কিভাবে এসেছে?
আল্লাহ কুরআন বই আকারে পাঠাননি, বরং তাঁর বাক্যরূপে পাঠিয়েছেন, যা সাহাবাদের হৃদয়ে সংরক্ষিত ছিল এবং তাঁরাই তা পৌঁছিয়েছেন আমাদের কাছে। তাদের উপর ভরসা করে কুরআন মানলেন, কিন্তু হাদীসে এলেই সেই সাহাবীদের অস্বীকার করলেন? এটা যুক্তিসঙ্গত নয়।
সারসংক্ষেপ:
কুরআন নিজেই একটি ‘মুতাওয়াতির হাদিস’। সুন্নাহ অস্বীকার করা মানেই কুরআন অস্বীকার করা।
দুইটি একে অপরের পরিপূরক। দুটির যেকোনো একটি বাদ দিলে পুরো দ্বীনকেই অসম্পূর্ণ করে দেওয়া হয়।
কুরআন হল সবচেয়ে বড় মুতাওয়াতির হাদিস এবং সুন্নাহও আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ ওহী।








No Comment! Be the first one.