৫ম শতকের শেষভাগ ও ৬ষ্ঠ শতকের সূচনায় আল্লাহ এই উম্মতকে এক নিয়ামত দান করেন—তিনি হলেন শায়খ আবদুল কাদির জিলানী رحمه الله। তিনি আজকের যুগে আমাদের মাঝে বহু নামে পরিচিত। কিছু নাম তাঁর মর্যাদার সঙ্গে মানানসই হলেও, কিছু নাম আল্লাহর উলুহিয়্যার পরিপন্থী, যেমন—গাউসুল আযম ও মুখতার-ই-গুল। অথচ তিনি এমন একজন মনীষী ছিলেন, যিনি ইসলামি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় গভীর ছাপ রেখে গেছেন।
ওলামায়ে কিরামের প্রশংসা
ইমাম যাহাবি رحمه الله বলেন: “শায়খ, ইমাম, আলেম, জাহিদ, আরিফ, শায়খুল ইসলাম, আউলিয়ার মাঝে আলম (নির্দেশক চিহ্ন)।” [সিয়ারু আ‘লামিন নুবালাহ, ২০/৪৩৯]
ইমাম আস-সাম‘আনী رحمه الله বলেন: “আবদুল কাদির ছিলেন জিলানের বাসিন্দা, তাঁর যুগের হাম্বলি মাযহাবের ইমাম ও শায়খ, একজন পরহেজগার, ইবাদতগুজার, দানশীল, অধিক জিকিরকারী, গভীর চিন্তাশীল এবং দ্রুত অশ্রুপাতকারী।” [সিয়ারু আ‘লামিন নুবালাহ, ২০/৪৪১]
ইমাম ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি رحمه الله বলেন: “শায়খ আবদুল কাদির সম্পর্কে যত করামত বর্ণিত হয়েছে, তা অন্য কারো সম্পর্কে শোনা যায়নি।” [যায়ল আলা তাবাকাতুল হানাবিলা]
সুলতানুল উলামা, ইমাম ইয ইবনে আবদুস সালাম رحمه الله বলেন: “শায়খ আবদুল কাদির رحمه الله ব্যতীত আর কোনো বুযুর্গের করামত এত ব্যাপকভাবে তাওয়াতুরের মাধ্যমে বর্ণিত হয়নি।” [যায়ল আলা তাবাকাতুল হানাবিলা]
তাঁর শৈশব ও শিক্ষা
তিনি জন্মগ্রহণ করেন ৪৭০ হিজরি, ২৯ শা‘বান (১০৭৭ খ্রিস্টাব্দ)–এ। তাঁর জন্মস্থান ছিল জিলান (বা গিলান), যা রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর অধিকাংশই এখন ইরানে পড়েছে। “জিলানী” হলো আরবিক উচ্চারণ, “গিলানী” প্রকৃত নাম, এবং “কিলানী” এমন উচ্চারণ যারা “G” পড়তে পারেন না।
তিনি হাদিস শিক্ষা নেন বিখ্যাত মুসনাদ সিরাজের রচয়িতা আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে হুসাইন থেকে। ফিকহ শিক্ষা নেন আবু সা‘দ আল-মুখখাররামী ও আবুল ওয়াফা ইবনে আকীল প্রমুখ বিশাল আলেমদের নিকট থেকে।
সাহিত্য, নাহু-সরফ ইত্যাদি শাস্ত্রে তিনি পড়েছেন আল-খতীব আত-ত্ব-এর নিকট। তাসাউফ শাস্ত্রে শিক্ষা নেন আবুল খায়র হাম্মাদ ইবনে মুসলিম আদ-দাব্বাস থেকে।
তাঁর ছাত্র ও সাধনা
তাঁর ছাত্রদের মাঝে ছিলেন ইমাম ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি رحمه الله, যিনি বিখ্যাত আল-মুগনী কিতাবের রচয়িতা। তিনি প্রায় ৩০–৩৫ বছর বাগদাদে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনে কাটিয়েছেন। তিনি ছিলেন এমন যুগের সুফি, যাদের মধ্যে তাসাউফের ধারণা ছিল মিতভাষী, সংযত, কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক এবং অন্তরের আমলের প্রতি অধিক মনোযোগী।
ছাত্রদের জন্য তাঁর অসাধারণ উপদেশ
শায়খ আবদুল কাদির গীলানী رحمه الله একবার তাঁর ছাত্রদের বলেছিলেন:
“তুমি যদি জ্ঞান অর্জন করতে চাও, তবে—
১. উটের মতো ভার বইতে শিখো। (যা দেওয়া হবে তা গ্রহণ করো এবং যা সহ্য করতে হয় তা করো।)
২. শূয়োরের মতো লোভী হও জ্ঞানের জন্য। (শূয়োরকে ছেড়ে দিলে সে কেবল নাক নামিয়ে খোঁজ করে চলে।)
৩. কুকুরের মতো আনুগত্যশীল হও। (এক টুকরো খাবারের জন্য কুকুর প্রভুর মারও সহ্য করে।)
তাঁর কষ্টময় জীবন
তিনি নিজেই বর্ণনা করেন, তিনি এমন সময় পার করেছেন যখন নদীতে পড়ে যাওয়া শাকসবজির পাতা কিংবা কাঁটাযুক্ত গাছ খেয়ে দিন কাটাতেন। ইমাম যাহাবি ও ইমাম রাজব আল-হাম্বলি তাঁদের গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন। একবার তিনি চরম ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হন, তখন একটি অদৃশ্য কণ্ঠস্বর বলেন,
“ঋণ করো, আমি তা পূরণ করব।” তিনি একটি দোকানে যান এবং শর্ত দেন—যদি আল্লাহ চান তবে আমি ফেরত দেব, আর যদি না পারি তবে আপনি আমাকে মাফ করে দেবেন। দোকানদার আবেগাপ্লুত হয়ে তাঁকে যা লাগবে তা নিতে বলেন। তিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঐ দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস নেন।
এক রাতে স্বপ্নে বলা হয়, “অমুক জায়গায় যাও, যা পাও তা নিয়ে নাও।” তিনি সেখানে গিয়ে এক টুকরো স্বর্ণ পান, যা দিয়ে সব ঋণ পরিশোধ করে দেন।
অন্য ছাত্রদের কটাক্ষ ও শায়খ হাম্মাদের প্রতিক্রিয়া
হাম্মাদের অন্য ছাত্ররা একদিন তাঁকে কটাক্ষ করছিল। শায়খ হাম্মাদ দেখে রেগে গিয়ে বলেন: “হে কুকুরেরা! এই ছেলেটিকে বিরক্ত করো না। সে তোমাদের সবার চেয়ে উত্তম। আমি তাকে কষ্ট দেই শুধুই তার ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাস পরীক্ষা করতে। সে ধৈর্যের পাহাড়।”
এই আচরণ অনেক সুফিদের অভ্যাস হলেও, ছাত্রদের এমন করে অপমান করা সুন্নাহসম্মত নয়। আজকের যুগে শায়খ আবদুল কাদির জিলানী رحمه الله–এর সম্পর্কে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। যারা ইসলাম প্রচারে আত্মনিয়োগ করতে চান, তাঁর লেখা “আল-ফাতহুর রাব্বানী” পড়া অত্যন্ত উপকারী হবে।
বাগদাদে শায়খের অবস্থান
শায়খ আবদুল কাদির জিলানী رحمه الله বাগদাদেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর শিক্ষক আবু সা‘দ আল-মুখখাররামী-এর একটি ছোট মাদরাসা ছিল, যেটিকে শায়খ তাঁর শিক্ষাদানের স্থান হিসেবে গ্রহণ করেন। তিনি সেখানে ফিকহ, হাদিস, আকিদা ও আত্মার পরিশুদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়গুলো পড়াতেন।
আল্লাহ তাঁকে মানুষের মাঝে এমন গ্রহণযোগ্যতা দান করেন যে বলা হয়ে থাকে—তাঁর দরসে ৫০,০০০ মানুষ উপস্থিত থাকত। যদিও এটি অতিরঞ্জিত, তবুও এটি তাঁর পাঠদান ও শিক্ষার প্রতি মানুষের আকর্ষণের প্রমাণ, এমনকি অবস্থা এমন হতো তাঁর মাদরাসা এত লোক ধারণ করতে পারত না।
ইমাম ইবনে রজব আল-হাম্বলি رحمه الله একটি ঘটনা বর্ণনা করেন— এক নারী তাঁর স্বামীকে টেনে-হিঁচড়ে শায়খের মাহফিলে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, “আমি আমার স্বামীর সঙ্গে ২০ দিনার মহরে বিয়ে করেছি। তার মধ্যে ১০ দিনার আমি মাফ করে দিয়েছি। আর বাকি ১০ দিনার সে শায়খের অধীনে কাজ করবে।” তিনি এই চুক্তিনামা শায়খকে দেন এবং অনুরোধ করেন যেন চুক্তি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা যেন স্বামীর হাতে না দেন।
শায়খ সেই ব্যক্তিকে এক দিন কাজ করাতেন এবং এক দিন ছুটি দিতেন। ৫ দিনের মাথায় শায়খ তাঁকে ডাকেন, চুক্তিপত্র ফিরিয়ে দেন এবং বলেন, “তোমার স্ত্রী ১০ দিনার ক্ষমা করেছে, আর আমি তোমার জন্য ৫ দিনার মাফ করে দিলাম—তুমি মুক্ত।”
শায়খের কারামাত
শায়খের একজন বিখ্যাত শিষ্য ছিলেন উমর সোহরাওয়ার্দী। তিনি ইলমুল কালাম (যুক্তিভিত্তিক আকিদা) শিখতে আগ্রহী ছিলেন এবং এটি শায়খের সঙ্গে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন।
যখন তিনি শায়খের দরসে উপস্থিত হন, শায়খ সেই মাহফিলেই ইলমুল কালামের ক্ষতিকর দিক এবং সালাফদের আকিদা থেকে এর বিচ্যুতি সম্পর্কে আলোচনা শুরু করেন এবং উমরের দিকে তাকান। প্রথমে উমর ভাবেন এটি কাকতালীয়, কিন্তু পরে শায়খ তাঁর নাম নিয়েই বলেন, “তোমার অন্তরে যা আছে আমি তা জানি, এবং আমি বলছি—ইলমুল কালাম শিখে কোনো উপকার নেই।”
এটি ছিল এমন এক কারামাত, যার দ্বারা আল্লাহ তাঁকে তাঁর ছাত্রের অন্তরের কথা জানিয়ে দেন।
কারামাত সংক্রান্ত সতর্কতা
শায়খের অনেক কারামাত সত্য, তবে তাঁর নামে অনেক বানোয়াট ও ভিত্তিহীন গল্প-ও চালু আছে।
ইমাম ইবনে কাসীর رحمه الله বলেন:
“তিনি ছিলেন এক গম্ভীর ব্যক্তিত্ব, সদা নীরব থাকতেন, কেবল সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করতেন। তিনি দুনিয়াবিমুখ ছিলেন, তাঁর কিছু কারামাত প্রচলিত আছে। তাঁর সহচর ও ভক্তরা তাঁর ব্যাপারে অনেক কিছু বলেছে—তাঁর কথা, কাজ ও কারামাত উল্লেখ করেছে—কিন্তু অধিকাংশ অতিরঞ্জন। তিনি ছিলেন নেককার ও পরহেজগার এবং আল-গুনইয়াহ ও ফুতূহুল গাইব নামক গ্রন্থ রচনা করেছেন, যাতে ভালো কথার পাশাপাশি দুর্বল ও জাল হাদিস রয়েছে। সর্বোপরি, তিনি ছিলেন একজন বড় শায়খ।”
[আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১২/৭৬৮]
সীমালঙ্ঘন ও আকিদার স্পষ্টতা
আজ তাঁর অনেক অনুসারী এমন অবস্থা পর্যন্ত চলে গেছেন, যেখানে তাঁকে আল্লাহর মত স্থান বা নবিদের চেয়েও উচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়। এটি পুরোপুরি ভুল ও অত্যন্ত ভয়ংকর গোমরাহি।
আমরা তাঁকে ইসলামের একজন মহান আলেম, হাম্বলি মাজহাবের একজন শীর্ষ ফকিহ হিসেবে স্বীকৃতি দিই। আল্লাহ তাঁকে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর আকিদায় দৃঢ় রেখেছেন।
শায়খ নিজেই বলেন: “আমরা আল্লাহর নাম ও গুণসমূহে বিশ্বাস করি যেভাবে কুরআন ও হাদিসে এসেছে, কোনো রকম ব্যাখ্যা বা রূপান্তর ছাড়াই। সৃষ্টি থেকে আল্লাহ সম্পূর্ণ ভিন্ন।”
শায়খ আবদুল কাদির জিলানী رحمه الله – এর শিক্ষা
শায়খ আবদুল কাদির জিলানী رحمه الله তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “আল-ফাতহ আর-রব্বানী”-তে লিখেছেন: “হে ছেলে! তুমি ততক্ষণ সঠিক পথে অবস্থান করতে পারবে না যতক্ষণ না ইসলাম অনুসরণ করো, যার ভিত্তি হলো শাহাদাহ। হে ছেলে! তুমি মুখে শাহাদাহ পাঠ করলেও, এখনো মুমিন হয়ে ওঠোনি, কারণ তোমার অন্তরে অনেক মূর্তি বসে আছে। এই মূর্তিগুলো হতে পারে সেই শাসক, যাকে তুমি ভয় করো, অথবা সেই গ্রামপ্রধান, যার কাছে তুমি নিজেকে দুর্বল মনে করো। নিজের উপার্জন, মুনাফা, শক্তি, শ্রবণ, দৃষ্টি কিংবা ক্ষমতার উপর পরিপূর্ণ আস্থা রাখাও মনের ভেতরের মূর্তি। কেউ যদি মনে করে, সৃষ্টি কোন কিছু দিতে বা কেড়ে নিতে পারে, উপকার বা ক্ষতি করতে পারে—তবে সেটাও মনের একটি মূর্তি।”
অন্য এক স্থানে তিনি লেখেন: “তুমি তোমার শক্তি, লাভ, ও উপার্জনের ওপর নির্ভর করে বসে আছো। যেকোনো কিছু যাকে তুমি এমন মর্যাদায় বসাও, সে-ই তোমার উপাস্য। তুমি যদি বিশ্বাস করো, যে বেতন প্রদানকারী ব্যক্তি তোমাকে রিযিক দেবে, এবং তার কাছে না গেলে তুমি বঞ্চিত হবে—তাহলে সেই ব্যক্তি-ই তোমার মূর্তি।”
আরেক জায়গায় শায়খ লেখেন: “শাহাদাহ পাঠ করো, এবং পাঠ করো একাগ্রতা ও إخلاص (বিশুদ্ধ নিয়ত) নিয়ে। إخلاص-কে সামনে রেখে শয়তানদের পরাজিত করো। তাওহিদ এমন এক আগুন যা মানব ও জ্বিন উভয়ের শয়তানদের দগ্ধ করে দেয়। তাওহিদ এমন এক আলো যা আলোকিত করে। তুমি আল্লাহ ছাড়া যা কিছুর ওপর আস্থা রাখো— সেটাই তোমার উপাস্য।”
কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরণের তাগিদ
শায়খ বহু জায়গায় মানুষকে আল্লাহর কিতাব ও নবির সুন্নাহ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। এক ব্যক্তিকে উপদেশ দিতে গিয়ে তিনি বলেন: “তুমি কখনোই হিদায়াতপ্রাপ্ত হতে পারবে না, যতক্ষণ না এক হাতে কুরআন এবং অন্য হাতে রাসুল ﷺ এর সুন্নাহকে ধারণ করো।”
ইলম ছাড়া আল্লাহর জিকির যথাযথ নয়
এক বৃদ্ধ লোক একদিন শায়খের কাছে আসেন। মনে মনে ভাবেন: “এই কুরআন ও সুন্নাহ পড়ে কি লাভ? বরং এক জায়গায় বসে শুধু আল্লাহ আল্লাহ করাই তো ভালো।”
শায়খ তাঁকে বলেন: “যদি তুমি সত্যিই বসে শুধু আল্লাহর নাম জপ করতে চাও, তবে তার আগে তোমাকে ইলম অর্জন করতে হবে। যদি তুমি ইলম না শেখো, তবে তুমি এমন একটি পাখির মতো যে উড়তে চায় কিন্তু তার কোনো ডানা নেই।”
জ্ঞান দিয়ে শয়তানের ধোঁকা থেকে রক্ষা
শায়খ বর্ণনা করেন: “একবার আমি বনে গিয়েছিলাম, তখন খুব পিপাসা লেগেছিল। হঠাৎ একটি মেঘ আমাকে ঢেকে ফেলে এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি পানি পড়ে, আমি তা পান করি। এরপর একটি আলো এসে আমাকে বলে: ‘হে আবদুল কাদির! তোমার ইবাদত কবুল হয়েছে, এখন থেকে যা কিছু হারাম ছিল, সব হালাল হয়ে গেছে। তোমার সব দুশ্চিন্তা দূর করে দেওয়া হয়েছে।’ আমি সাথে সাথে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি, এবং আলোটি মিলিয়ে যায়।”
শায়খ লেখেন: “এটি ছিল একটি শয়তান, আর সে আমাকে বলে—তুমি তোমার দ্বীন ও ফিকহের ইলমের কারণে বেঁচে গেলে, এর আগে আমি এভাবেই ৭০ জন সুফিকে বিভ্রান্ত করেছি।”
শায়খ তাঁর ছাত্রদের বলতেন: “একজন মানুষ যতই উচ্চ মর্যাদার হোক না কেন, আল্লাহ কখনোই তার জন্য হারামকে হালাল করবেন না।”








No Comment! Be the first one.